ad

নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং টিপস এবং কৌশল- Freelancing tips and tricks for newcomers

নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং টিপস এবং কৌশল- Freelancing tips and tricks for newcomers

নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং টিপস এবং কৌশল- Freelancing tips and tricks for newcomers

নতুন ফ্রিল্যান্সাররা কীভাবে শুরু করবেন, কোন সেক্টরে চাহিদা বেশি, এবং কোথায় কাজ করবেন – এসব জানতে এই আর্টিকেলটি পড়ুন।


আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন আশাকরিছি আপনারা সকলেই ভালো আছেন আর আমি সব সময় ভালোর দলে!

আজকে আমরা ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আলোচনা করবো যদি আপনার এটি পড়ে কোনো উপকার হয় তাহলে একটি শেয়ার দিতে ভুলবেন না। তাহলে চলুন শুরু করি 


 ফ্রিল্যান্সিং বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় একটি ক্যারিয়ার তৈরির অপশন। কাজ জানা থাকলে আপনি যেকোনো মার্কেটপ্লেসে এবং মার্কেটপ্লেসের বাহিরে ফ্রেলেন্সিং করতে পারবেন শুধু তাই নয়, বিশেষ করে যারা ঘর থেকে কাজ করতে চান, তাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে একটি দুর্দান্ত সুযোগ। তবে,ফ্রিল্যান্সিং শুরুটা বেশ কঠিন হতে পারে। যদি আপনি একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার হন, তবে এখানে কিছু টিপস এবং কৌশল রয়েছে যা আপনার ফ্রিল্যান্সিং যাত্রা আরও সহজ করে দিবে।


প্রথমে আসি আমরা কি ডিভাইস ব্যাবহার করবো ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে ?
অনেকের প্রশ্ন থাকে হাতের স্মার্টফোন দিয়ে কি ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে ?

তাহলে চলুন বিস্তারিত আলোচনা করি। 


মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো?


আজকাল মোবাইল দিয়েও ফ্রিল্যান্সিং শেখা সম্ভব। অনেক ফ্রিল্যান্সিং কোর্স এবং টিউটোরিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাওয়া যায়। আপনি গুগল সার্চ বা ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে শুরু করতে পারেন, সেখানে নানা রকম ফ্রি রিসোর্স এবং গাইডলাইন রয়েছে। বিশেষ করে, Skillshare, Udemy, এবং Coursera এ এর মতো কিছু ওয়েবসাইটে অনেক কোর্স রয়েছে যা মোবাইল থেকে সহজেই অ্যাক্সেস করা যায়। এবং সেগুলো ভিডিও আকারে রয়েছে আমি ফ্রিতে ও পেইড দুই ভাবেই দেখে শিখতে পারবেন। 


যদি আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ডিজাইন শেখতে চান, তবে Figma, Canva, বা Adobe Spark ব্যবহার করা শুরু করতে পারেন। শুধু শেখার জন্য নয়, আপনি মোবাইল দিয়ে অনেক ধরণের কাজও করতে পারবেন, যেমন কনটেন্ট লেখার কাজ বা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট। তবে আমি সাজেস্ট করবো আপনি ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য একজন মেন্টরের কাছে অর্থাৎ আপনার আশেপাশের ফ্রিলান্সিং আইটি সেন্টারে যোগাযোগ করুন। এবং তাদের থেকে গাইডলাইন নিয়ে দ্রুতই কাজ শিখতে পারবেন এবং একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এর জন্য খুবই দরকার হবে। তাই কিছু টাকা খরচ হলেও আপনি একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ কিনে ফেলুন এটা কখনো বৃথা যাবে না। 


বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি?

বর্তমানে সবচেয়ে ডিমান্ডেবল সেক্টরগুলো হলো ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, কনটেন্ট রাইটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, এবং ভিডিও এডিটিং। এছাড়াও, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, এবং SEO(Search Engine Optimization) এখন ফ্রিল্যান্সিং  বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে। এবং AI আসার পরে নতুন নতুন ডিমান্ডেবল সেক্টর তৈরী হয়েছে আপনি AI এর উপরেও ভালো দক্ষতা স্কিল অর্জন করে ফ্রিল্যান্সিং বাজারে যোগ দিতে পারেন।  তবে, উপরোন্ত এই সব ক্যাটাগরির মধ্যে আপনার আগ্রহ এবং দক্ষতা অনুযায়ী মার্কেটে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করার জরুরি। যেমন, আপনি যদি ডিজাইন পছন্দ করেন, তবে গ্রাফিক ডিজাইন হতে পারে আপনার জন্য উপযুক্ত। যদি আপনি ডেভেলপমেন্ট পছন্দ করে তাহলে ওয়েবসাইট ও প্লাগিন ও সফ্টওয়ার এবং AI দিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন তাহলে আপনি AI বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা উপযুক্ত হবে। 


নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি?

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য Upwork, Fiverr, এবং Freelancer.com এই তিনটি প্লাটফর্ম হল জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। বিশেষ করে Fiverr নতুনদের জন্য খুবই উপকারী, কারণ এখানে আপনি ছোট ছোট কাজ থেকে শুরু করতে পারেন। এদিকে, Upwork অনেক বড় প্রোজেক্ট অফার করে, যেখানে প্রফেশনাল ফ্রিলান্সারদর দক্ষতা অনুযায়ী ও পেশাদারদের জন্য অনেক ভালো সুযোগ রয়েছে। 

আপনি যদি লেখালেখি বা কনটেন্ট ক্রিয়েশন করতে চান ও ইনকাম করতে চান তাহলে, তবে Vocal মিডিয়া,  ProBlogger বা Textbroker সাইটগুলোও আপনার জন্য ভালো অপশন হতে পারে। এছাড়াও আরো ছোট বড় বহু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস রয়েছে আপনি যদি জানতে চান তাহলে এই ব্লগটির নিচে কমেন্ট করে জানান। আমি আপনাকে হেল্পত করতে এখানে আছি। 

নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং টিপস এবং কৌশল- Freelancing tips and tricks for newcomers


সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজ কোনটি?

ফ্রিল্যান্সিং কাজের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজগুলো হলো:


কনটেন্ট রাইটিং: ব্লগ, আর্টিকেল, SEO কনটেন্ট।

গ্রাফিক ডিজাইন: লোগো ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্স।

ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট: ওয়েবসাইট তৈরি ও কাস্টমাইজেশন।

ভিডিও এডিটিং: ইউটিউব ভিডিও, প্রোমোশনাল ভিডিও তৈরি।

ডিজিটাল মার্কেটিং: SEO, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, পেইড ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্ট। AI ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি। 

আপনার আগ্রহ এবং দক্ষতা অনুযায়ী আপনি যেকোনো একটি সেক্টর বেছে নিতে পারেন।



শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট:

শিক্ষার্থীদের জন্য Fiverr, Upwork, এবং Freelancer ভালো সাইট হতে পারে। আপনি এখানে ছোট ছোট কাজ নিতে পারেন, যেমন লেখা, অনলাইন টিউটোরিয়াল, বা ডিজাইন কাজ, অথবা AI প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ছবি থেকে ভিডিও বানানো, অথবা AI প্রম্পট তৈরী করা, যা আপনার পড়াশোনার পাশাপাশি মিলিয়ে এই কাজগুলো করে ভালো একটি প্যাসিভ ইনকাম হতে পারে।


আরেকটি ভালো অপশন হল Internshala, যেখানে আপনি ইন্টার্নশিপ এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারবেন।


অর্থ উপার্জনের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট:


আপনি যদি ভালো পরিমান অর্থ উপার্জন করতে চান তবে Fiverr, Upwork, এবং PeoplePerHour ভালো অপশন হতে পারে। এসব সাইটে প্রফেশনাল মানের একটি প্রোফাইল তৈরি করে আপনি বিভিন্ন ধরণের কাজের জন্য অফার পেতে পারেন। এখানে প্রচুর ক্লায়েন্ট রয়েছে যারা আপনাকে কাজ দেবে। ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কি কি স্কিল তৈরী করবেন এখানে আমার লেখা আরেকটি বলো আর্টিকেল পড়তে পারেন লিংক। 


এছাড়া, আপনি নিজে কাজ করার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে SEO services, affiliate marketing বা blogging করেও আয় করতে পারেন।


সরকারি ফ্রিল্যান্সিং কোর্স ২০২৫

বাংলাদেশ সরকার মাঝে মাঝে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্যু অনেক জেলায় লোক ও ফ্রিল্যান্সার নিয়োগ দেওয়া যারা ফ্রিল্যান্সিং শেখায়। আপনি ICT Division বা Bangladesh Computer Council (BCC)-এর অধীনে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং কোর্সে অংশ নিতে পারেন। এসব কোর্সে ভর্তির মাধ্যমে আপনি সহজেই ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন এবং এক্সপার্ট হয়ে উঠতে পারবেন। এতে আপনার কোনো টাকা লাগবে না যদিও লাগে ভর্তি বাবদ কিছু খরচ লাগতে পারে। সরকারি ভাবে শিখলে ফ্রিতেই সেখান হয় এবং এখানে ভালো দক্ষতা অর্জন করলে আপনাকে তাদের IT সেন্টার থেকে সরকারি ভাবে অনেক টাকা বোনাস দিবে। এটা দক্ষ হয়ে উঠা স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে হতে পারে। তাই আপনার ফ্রিল্যান্সিং স্কিল তৈরী করেন। 


ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কিভাবে করতে হয়জ?


ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করতে হলে প্রথমে আপনাকে একটি প্রফেশনাল মানের প্রোফাইল তৈরি করতে হবে এবং নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুঁজতে হবে এবং আপনার অফারগুলো ক্লাইন্টদের কাছে মার্কেটপ্লেসের বাহিরে হলে ইমেইল করে তাদের জানাতে হবে এবং আপনার একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকলে সেটা তাদের প্রেরণ করতে হবে এর ফলে ক্লাইন্ট আপনাকে রিপ্লে দেয়ার চান্স ৯৯% বেড়ে যাবে । আমার বাস্তব দক্ষতা অনুযায়ী বলছি আপনাকে অবশ্যিই কাজ পেতে ক্লাইন্টের কাছে অফার দিতে হবে এবং ক্লায়েন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। প্রথমদিকে কম দামেও কাজ করতে হতে পারে, কিন্তু পরে আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সাথে বেতন বৃদ্ধি পাবে।

বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে escrow সিস্টেম থাকে, যেখানে কাজ শুরু করার আগে টাকা রাখা হয় এবং কাজ শেষ করার পর আপনি যখন সাবমিট করবেন বায়ার সেই কাজটি চেক করে দেখবে তারপর আপনি অর্থ পাবেন।

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আমি Mahabub আমার অভিজ্ঞতা থেকে এই ছিল নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কিছু টিপস এবং কৌশল। আশা করি, এই আর্টিকেলটি আপনাকে সাহায্য করবে। আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন। শুভকামনা রইলো আপনার ফ্রিল্যান্সিং যাত্রার জন্য!

এখানে আমার একটি ইংলিশ ভাষার ব্লগ ওয়েবসাইট আছে ভিসিট করতে পারেন। এখানেও আমি ভিবিন্ন টিপস শেয়ার করি। লিংক Banglaskynews.com

Tage: নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং টিপস এবং কৌশল- Freelancing tips and tricks for newcomers

ফ্রিল্যান্সিং টিপস
freelancing types
freelancer types
freelance types of jobs
freelancing tips
freelancing tips for beginners
freelancing tips and tricks
freelancing tips and tricks for beginners
freelancing tips reddit
types freelance work
freelancers types

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.